ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিপিসির আমদানিকৃত জ্বালানি তেলে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি Logo আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

ফ্যাসিবাদের গোষ্ঠী এখনও ওত পেতে আছে: ফরিদা আখতার

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, “ওসমান হাদি একজন প্রার্থী ছিলেন। জয় হোক বা না হোক, তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেন। কিন্তু ফ্যাসিবাদের গোষ্ঠী এখনও কোথাও না কোথাও ওত পেতে আছে। তারা সুযোগ পেলেই ফিরে আসতে চায়। আর সে কারণেই হাদিদের মতো যোদ্ধাদের বাঁচতে দিচ্ছে না।”

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ভূইগড় কাজীপাড়া এলাকায় গণভোট প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণে আয়োজিত জনসচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফরিদা আখতার বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি—মসজিদের ইমাম, শিক্ষক ও সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রে একটি জায়গায় এসে বলছে, এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন ধরনের এবং বুঝে-শুনে করতে হবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে গণভোট নিয়ে মানুষের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। বিভ্রান্তি ও প্রশ্ন থাকলেও সবাই একমত—এবারের নির্বাচন আলাদা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের প্রধান উপদেষ্টা বারবার বলেছেন, নির্বাচন যেন আনন্দমুখর হয় এবং মানুষ যেন ভয় না পেয়ে ভোট দিতে যায়। গত ১৭ বছরে যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তারা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখেছেন ভোট আগেই হয়ে গেছে। আমরা এখন সেই পরিস্থিতিতে নেই।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “প্রার্থীরা ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট চাইবেন—এটি তাদের কাজ। আমাদের কাজ হলো যেন তারা সুষ্ঠুভাবে প্রচার করতে পারেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে। তবে আমি প্রার্থীদের একটি কথা বলতে চাই—আমরা আপনাদের ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাবো মানেই এই নয় যে, আপনারা পাঁচ বছর ইচ্ছেমতো দেশ চালাবেন। এই ক্ষমতা জনগণের হাতেই থাকতে হবে।”

তিনি বলেন, “আগামী দিনে সংসদে গিয়ে জনগণের পক্ষে যেসব সংস্কার প্রয়োজন, সেগুলো আপনাদের করতেই হবে। ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে মত দেবে, আর ‘না’ ভোট মানে হবে—পরিবর্তন নয়। শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে পরিবর্তনবিহীন অবস্থান নেওয়া সম্ভব নয়।”

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মুফতি এনামুল হক। পরে একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

জেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক রায়হান কবির।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আলমগীর হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন, বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

ফ্যাসিবাদের গোষ্ঠী এখনও ওত পেতে আছে: ফরিদা আখতার

আপডেট সময় ১২:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, “ওসমান হাদি একজন প্রার্থী ছিলেন। জয় হোক বা না হোক, তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেন। কিন্তু ফ্যাসিবাদের গোষ্ঠী এখনও কোথাও না কোথাও ওত পেতে আছে। তারা সুযোগ পেলেই ফিরে আসতে চায়। আর সে কারণেই হাদিদের মতো যোদ্ধাদের বাঁচতে দিচ্ছে না।”

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ভূইগড় কাজীপাড়া এলাকায় গণভোট প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণে আয়োজিত জনসচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফরিদা আখতার বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি—মসজিদের ইমাম, শিক্ষক ও সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রে একটি জায়গায় এসে বলছে, এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন ধরনের এবং বুঝে-শুনে করতে হবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে গণভোট নিয়ে মানুষের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। বিভ্রান্তি ও প্রশ্ন থাকলেও সবাই একমত—এবারের নির্বাচন আলাদা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের প্রধান উপদেষ্টা বারবার বলেছেন, নির্বাচন যেন আনন্দমুখর হয় এবং মানুষ যেন ভয় না পেয়ে ভোট দিতে যায়। গত ১৭ বছরে যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তারা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখেছেন ভোট আগেই হয়ে গেছে। আমরা এখন সেই পরিস্থিতিতে নেই।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “প্রার্থীরা ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট চাইবেন—এটি তাদের কাজ। আমাদের কাজ হলো যেন তারা সুষ্ঠুভাবে প্রচার করতে পারেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে। তবে আমি প্রার্থীদের একটি কথা বলতে চাই—আমরা আপনাদের ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাবো মানেই এই নয় যে, আপনারা পাঁচ বছর ইচ্ছেমতো দেশ চালাবেন। এই ক্ষমতা জনগণের হাতেই থাকতে হবে।”

তিনি বলেন, “আগামী দিনে সংসদে গিয়ে জনগণের পক্ষে যেসব সংস্কার প্রয়োজন, সেগুলো আপনাদের করতেই হবে। ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে মত দেবে, আর ‘না’ ভোট মানে হবে—পরিবর্তন নয়। শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে পরিবর্তনবিহীন অবস্থান নেওয়া সম্ভব নয়।”

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মুফতি এনামুল হক। পরে একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

জেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক রায়হান কবির।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আলমগীর হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন, বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।