ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিপিসির আমদানিকৃত জ্বালানি তেলে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি Logo আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

জাল সনদে সরকারি ৫৬ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ, অপপ্রচারের দাবি সিভিল সার্জনের

জাল ও জালিয়াতির মাধ্যমে সনদ ব্যবহার করে সরকারি প্রায় ৫৬ লাখ টাকা অতিরিক্ত বেতন হিসেবে নেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মুশিউর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগও উঠেছে। তবে তিনি অভিযোগটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, প্রশাসনিক বিষয়কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

সম্প্রতি ২০২১ সালে অবসরে যাওয়া সিনিয়র স্টাফ নার্স ফ্রানচিলিয়া গোমেজের বকেয়া পেনশন সংক্রান্ত একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সিভিল সার্জনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাটি ঘুষের নয়; বরং ওই নার্সের শিক্ষাগত সনদে বয়স ও পাসের সাল নিয়ে অসঙ্গতি ধরা পড়েছে।

সিভিল সার্জনের দাবি, ওই নার্স ১৯৫৪ সালে এসএসসি পাস করলেও পরবর্তী সময়ে সনদে পরিবর্তন করে ১৯৬২ সাল দেখানো হয়। এর ফলে তিনি প্রায় ৭ বছর ৯ মাস অতিরিক্ত চাকরিতে ছিলেন এবং ওই সময়ে সরকারি প্রায় ৫৬ লাখ টাকা অতিরিক্ত বেতন গ্রহণ করেন। নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পেনশন নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, “টাকা দেওয়া বা আটকে রাখার ক্ষেত্রে আমার ব্যক্তিগত কোনো ক্ষমতা নেই। বিষয়টি অ্যাকাউন্টস ও সংশ্লিষ্ট নার্সিং কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।”

এদিকে ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের অধীন সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর শিক্ষাগত সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অধিকতর যাচাই-বাছাই করার ঘোষণা দিয়েছেন সিভিল সার্জন। তিনি বলেন, “আর কারও সনদে জালিয়াতি বা ত্রুটি আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হবে।”

সচেতন মহল মনে করছে, এই যাচাই কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে স্বাস্থ্য বিভাগের সনদ জালিয়াতি ও অন্যান্য অনিয়মের প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে। তবে অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

জাল সনদে সরকারি ৫৬ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ, অপপ্রচারের দাবি সিভিল সার্জনের

আপডেট সময় ১০:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

জাল ও জালিয়াতির মাধ্যমে সনদ ব্যবহার করে সরকারি প্রায় ৫৬ লাখ টাকা অতিরিক্ত বেতন হিসেবে নেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মুশিউর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগও উঠেছে। তবে তিনি অভিযোগটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, প্রশাসনিক বিষয়কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

সম্প্রতি ২০২১ সালে অবসরে যাওয়া সিনিয়র স্টাফ নার্স ফ্রানচিলিয়া গোমেজের বকেয়া পেনশন সংক্রান্ত একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সিভিল সার্জনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাটি ঘুষের নয়; বরং ওই নার্সের শিক্ষাগত সনদে বয়স ও পাসের সাল নিয়ে অসঙ্গতি ধরা পড়েছে।

সিভিল সার্জনের দাবি, ওই নার্স ১৯৫৪ সালে এসএসসি পাস করলেও পরবর্তী সময়ে সনদে পরিবর্তন করে ১৯৬২ সাল দেখানো হয়। এর ফলে তিনি প্রায় ৭ বছর ৯ মাস অতিরিক্ত চাকরিতে ছিলেন এবং ওই সময়ে সরকারি প্রায় ৫৬ লাখ টাকা অতিরিক্ত বেতন গ্রহণ করেন। নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পেনশন নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, “টাকা দেওয়া বা আটকে রাখার ক্ষেত্রে আমার ব্যক্তিগত কোনো ক্ষমতা নেই। বিষয়টি অ্যাকাউন্টস ও সংশ্লিষ্ট নার্সিং কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।”

এদিকে ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের অধীন সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর শিক্ষাগত সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অধিকতর যাচাই-বাছাই করার ঘোষণা দিয়েছেন সিভিল সার্জন। তিনি বলেন, “আর কারও সনদে জালিয়াতি বা ত্রুটি আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হবে।”

সচেতন মহল মনে করছে, এই যাচাই কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে স্বাস্থ্য বিভাগের সনদ জালিয়াতি ও অন্যান্য অনিয়মের প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে। তবে অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।