ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিপিসির আমদানিকৃত জ্বালানি তেলে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি Logo আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

অপারেশন ডেভিল হান্ট: চতুর্থ দিনে ৬ থানা থেকে গ্রেপ্তার ১৬

‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’র চতুর্থ দিনের অভিযানে জেলার ছয় থানা থেকে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিন অভিযানে সদর মডেল থানা থেকে তিনজন, বন্দর থানায় একজন, ফতুল্লা মডেল থানায় দুইজন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় চারজন, আড়াইহাজার থানা থেকে পাঁচজন এবং রুপগঞ্জ থানা থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকালীন এবং সন্ত্রাসী বিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সদর মডেল থানায় গ্রেপ্তার তিনজন হলো- সৈয়দপুর পশ্চিম ফকির বাড়ী এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীন শিকদারের ছেলে মো. বশির উদ্দিন শিকদার (৪৮), নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ এলাকার মৃত চান শরিফ সরদারের ছেলে মো. রিপন সরদার (৪৫), নতুন সৈয়দপুর এলাকার মৃত হাজী দাদন সরকারের ছেলে কাজী হারুনুর রশিদ।

ফতুল্লা মডেল থানায় গ্রেপ্তার দুজন হলো- মাসাইর এলাকার মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম (৪৭), কালামপুর এলাকার ধনজয়ের ছেলে মিষ্টি শিরু।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় গ্রেপ্তার চারজন হলো- মিজমিজি পাইনাদি এলাকার আ. মালেক সরকারের ছেলে মো. জুম্মান সরকার (৪৩), কদমতলী এলাকার মৃত মো. নুরুল ইসলামের ছেলে মো. তাজুল ইসলাম (৪৪), জালকুড়ি পুরাতন সাউদবাড়ী এলাকার মৃত হযরত আলীর ছেলে মো. খোরশেদ আলম (৫৪) এবং কলাবাগ এলাকার শাহাবুদ্দিনের ছেলে রহিম উদ্দিন।

বন্দর থানায় গ্রেপ্তার একজন হলো- ধামগড় উপজেলার সেনেরবাড়ী এলাকার মৃত হাজী সোনা মিয়ার ছেলে হাজী মো. মঞ্জু (৫৫)।

রূপগঞ্জ থেকে ভোলানাথপুর এলাকার মো. শামছুল হকের ছেলে শহিদুল ইসলাম শ্রাবন (৩২)।

আড়াইহাজার থানায় গ্রেপ্তার পাঁচজন হলো- নাগেরচর এলাকার মো. রমিজ উদ্দিনের ছেলে মো. আজিজুল্লাহ (৩০), ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের সাহাবুদ্দিনের ছেলে মজিবুর রহমান (৬৪), গোপালদী পৌরসভার মৃত জয়নাল কমিশনারের ছেলে ইউসুফ আলী ইমন (২৬), একই এলাকার মৃত বিল্লাল হোসেনের ছেলে মো. রিফাত হোসেন (২৮), একই এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে ছাব্বির (২১)।

এছাড়া গত শুক্রবার জেলার সাতটি থানায় স্থাপিত সাতটি চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে ৩১৯টি যানবহন এবং ৩৪৭ টি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়েছে। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১৪টি প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে এবং ৩টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ১৬ ডিসেম্বর অপারেশন ডেভিল হান্টে ১৯ জন, ১৭ ডিসেম্বর ২৬ জন এবং ১৮ ডিসেম্বর ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

অপারেশন ডেভিল হান্ট: চতুর্থ দিনে ৬ থানা থেকে গ্রেপ্তার ১৬

আপডেট সময় ১১:২৮:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’র চতুর্থ দিনের অভিযানে জেলার ছয় থানা থেকে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিন অভিযানে সদর মডেল থানা থেকে তিনজন, বন্দর থানায় একজন, ফতুল্লা মডেল থানায় দুইজন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় চারজন, আড়াইহাজার থানা থেকে পাঁচজন এবং রুপগঞ্জ থানা থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকালীন এবং সন্ত্রাসী বিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সদর মডেল থানায় গ্রেপ্তার তিনজন হলো- সৈয়দপুর পশ্চিম ফকির বাড়ী এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীন শিকদারের ছেলে মো. বশির উদ্দিন শিকদার (৪৮), নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ এলাকার মৃত চান শরিফ সরদারের ছেলে মো. রিপন সরদার (৪৫), নতুন সৈয়দপুর এলাকার মৃত হাজী দাদন সরকারের ছেলে কাজী হারুনুর রশিদ।

ফতুল্লা মডেল থানায় গ্রেপ্তার দুজন হলো- মাসাইর এলাকার মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম (৪৭), কালামপুর এলাকার ধনজয়ের ছেলে মিষ্টি শিরু।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় গ্রেপ্তার চারজন হলো- মিজমিজি পাইনাদি এলাকার আ. মালেক সরকারের ছেলে মো. জুম্মান সরকার (৪৩), কদমতলী এলাকার মৃত মো. নুরুল ইসলামের ছেলে মো. তাজুল ইসলাম (৪৪), জালকুড়ি পুরাতন সাউদবাড়ী এলাকার মৃত হযরত আলীর ছেলে মো. খোরশেদ আলম (৫৪) এবং কলাবাগ এলাকার শাহাবুদ্দিনের ছেলে রহিম উদ্দিন।

বন্দর থানায় গ্রেপ্তার একজন হলো- ধামগড় উপজেলার সেনেরবাড়ী এলাকার মৃত হাজী সোনা মিয়ার ছেলে হাজী মো. মঞ্জু (৫৫)।

রূপগঞ্জ থেকে ভোলানাথপুর এলাকার মো. শামছুল হকের ছেলে শহিদুল ইসলাম শ্রাবন (৩২)।

আড়াইহাজার থানায় গ্রেপ্তার পাঁচজন হলো- নাগেরচর এলাকার মো. রমিজ উদ্দিনের ছেলে মো. আজিজুল্লাহ (৩০), ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের সাহাবুদ্দিনের ছেলে মজিবুর রহমান (৬৪), গোপালদী পৌরসভার মৃত জয়নাল কমিশনারের ছেলে ইউসুফ আলী ইমন (২৬), একই এলাকার মৃত বিল্লাল হোসেনের ছেলে মো. রিফাত হোসেন (২৮), একই এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে ছাব্বির (২১)।

এছাড়া গত শুক্রবার জেলার সাতটি থানায় স্থাপিত সাতটি চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে ৩১৯টি যানবহন এবং ৩৪৭ টি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়েছে। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১৪টি প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে এবং ৩টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ১৬ ডিসেম্বর অপারেশন ডেভিল হান্টে ১৯ জন, ১৭ ডিসেম্বর ২৬ জন এবং ১৮ ডিসেম্বর ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।