ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিপিসির আমদানিকৃত জ্বালানি তেলে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি Logo আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

মজলুমদের নেতা মওলানা ভাসানীর আজ মৃত্যুবার্ষিকী

লুঙ্গি পরা লম্বা দাড়ির এক মানুষ; কাঁধে গামছা আর মাথায় তালের টুপি নিয়ে হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের মজলুমদের অবিসংবাদিত নেতা।

কৃষিনির্ভর বাংলায় কৃষকের বেশেই সন্তোষের লাল মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী হয়ে ওঠেন মুক্তির কণ্ঠস্বর। আজ রোববার আওয়ামী মুসলিম লীগের এই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় টেকনিক্যাল কলেজ, মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধার্ঘ জানাতে আজ সকাল থেকেই ঢল নামবে মানুষের। বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রয়াত এই নেতার মাজার জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবে। কয়েক দিন আগে থেকেই মওলানা ভাসানীর ভক্ত, অনুসারী ও মুরিদরা সন্তোষে এসেছেন। এদিকে ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী ‘ভাসানী মেলা’ চলছে।

১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তার জীবনের সিংহভাগই কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। এখানেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তার কৈশোর-যৌবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি তৎকালীন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন। লাইন প্রথা উচ্ছেদ, জমিদারদের নির্যাতনবিরোধী আন্দোলনসহ সারাজীবনই তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। তার উদ্যোগে ১৯৫৭ সালে কাগমারীতে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন বাংলাদেশের রাজনীতিতে মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি সর্বদলীয় ওয়ার কাউন্সিলের উপদেষ্টা ছিলেন। স্বাধীনতার পর তার সবশেষ কীর্তি ছিল ফারাক্কা লং মার্চ।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

মজলুমদের নেতা মওলানা ভাসানীর আজ মৃত্যুবার্ষিকী

আপডেট সময় ১০:০০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

লুঙ্গি পরা লম্বা দাড়ির এক মানুষ; কাঁধে গামছা আর মাথায় তালের টুপি নিয়ে হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের মজলুমদের অবিসংবাদিত নেতা।

কৃষিনির্ভর বাংলায় কৃষকের বেশেই সন্তোষের লাল মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী হয়ে ওঠেন মুক্তির কণ্ঠস্বর। আজ রোববার আওয়ামী মুসলিম লীগের এই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় টেকনিক্যাল কলেজ, মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধার্ঘ জানাতে আজ সকাল থেকেই ঢল নামবে মানুষের। বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রয়াত এই নেতার মাজার জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবে। কয়েক দিন আগে থেকেই মওলানা ভাসানীর ভক্ত, অনুসারী ও মুরিদরা সন্তোষে এসেছেন। এদিকে ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী ‘ভাসানী মেলা’ চলছে।

১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তার জীবনের সিংহভাগই কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। এখানেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তার কৈশোর-যৌবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি তৎকালীন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন। লাইন প্রথা উচ্ছেদ, জমিদারদের নির্যাতনবিরোধী আন্দোলনসহ সারাজীবনই তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। তার উদ্যোগে ১৯৫৭ সালে কাগমারীতে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন বাংলাদেশের রাজনীতিতে মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি সর্বদলীয় ওয়ার কাউন্সিলের উপদেষ্টা ছিলেন। স্বাধীনতার পর তার সবশেষ কীর্তি ছিল ফারাক্কা লং মার্চ।