ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিপিসির আমদানিকৃত জ্বালানি তেলে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি Logo আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট বিদ্বেষমূলক একটি মামলা

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট একটি বিদ্বেষমূলক মামলা বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, আপিলের বিষয়বস্তু থেকে এটা প্রমাণিত হয় যে, এ মামলায় আইনের কাল্পনিক অপপ্রয়োগ ঘটেছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রায় দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে আপিল বিভাগ বলেন, এ মামলার বিচারিক আদালত ও হাইকোর্ট বিভাগের রায় বাতিল করা হলো। ফলশ্রুতিতে সব আপিলকারীকে দোষী সাব্যস্ত না করে তাদের সম্পূর্ণ খালাস দেওয়া হলো। এই রায় অন্য আপিলকারী এবং যারা আপিল করেননি উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামিকে খালাসের রায়ে বুধবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদসহ আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। হাইকোর্টের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল মঞ্জুর করে সর্বোচ্চ আদালত এ রায় দেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টের রায় বাতিল করা হয়েছে। এ কারণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য আসামিরাও সাজা থেকে খালাস পেয়েছেন। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, এ মামলায় আসামিদের যে সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে, নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তারা হারানো সম্মান ফিরে পাবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া অযৌক্তিক বিচারিক কার্যক্রমের অবসান ঘটবে।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া, ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ ও অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন খোকন।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আসিফ হোসাইন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। রায়ের পর খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বলেন, সর্বোচ্চ আদালতে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।

এর আগে গত মঙ্গলবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানি শেষ হয়। এ বিষয়ে রায় ঘোষণার জন্য বুধবার দিন ধার্য করা হয়। খালেদা জিয়ার আপিলের ওপর চার কার্যদিবস শুনানি শেষে রায়ের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়। গত ৭ জানুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানি শুরু হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট বিদ্বেষমূলক একটি মামলা

আপডেট সময় ১০:২১:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট একটি বিদ্বেষমূলক মামলা বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, আপিলের বিষয়বস্তু থেকে এটা প্রমাণিত হয় যে, এ মামলায় আইনের কাল্পনিক অপপ্রয়োগ ঘটেছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রায় দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে আপিল বিভাগ বলেন, এ মামলার বিচারিক আদালত ও হাইকোর্ট বিভাগের রায় বাতিল করা হলো। ফলশ্রুতিতে সব আপিলকারীকে দোষী সাব্যস্ত না করে তাদের সম্পূর্ণ খালাস দেওয়া হলো। এই রায় অন্য আপিলকারী এবং যারা আপিল করেননি উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামিকে খালাসের রায়ে বুধবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদসহ আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। হাইকোর্টের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল মঞ্জুর করে সর্বোচ্চ আদালত এ রায় দেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টের রায় বাতিল করা হয়েছে। এ কারণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য আসামিরাও সাজা থেকে খালাস পেয়েছেন। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, এ মামলায় আসামিদের যে সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে, নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তারা হারানো সম্মান ফিরে পাবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া অযৌক্তিক বিচারিক কার্যক্রমের অবসান ঘটবে।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া, ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ ও অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন খোকন।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আসিফ হোসাইন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। রায়ের পর খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বলেন, সর্বোচ্চ আদালতে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।

এর আগে গত মঙ্গলবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানি শেষ হয়। এ বিষয়ে রায় ঘোষণার জন্য বুধবার দিন ধার্য করা হয়। খালেদা জিয়ার আপিলের ওপর চার কার্যদিবস শুনানি শেষে রায়ের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়। গত ৭ জানুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানি শুরু হয়।