ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা Logo শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক-শ্রমিক-প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠক Logo শ্রমিক আন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত’ বললেন এমপি দিপু ভূঁইয়া Logo ফতুল্লায় তিনদিন বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি Logo পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের বিশ্বাস অবিশ্বাসে সুজনের আত্মহত্যা Logo মার্কিন সেনেটে ইতিহাস: প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে জয় পেলেন আবদুল আল সাঈদ Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিপিসির আমদানিকৃত জ্বালানি তেলে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি Logo আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

তুচ্ছ ঘটনার জেরে বন্দরে মাছ ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুলাল নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার কেওঢালা ওভারবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুলাল ওই এলাকার জসিম মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন এবং পেশায় মাছ ব্যবসায়ী।

বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক তৌহিদুল ইসলাম জানান, তুচ্ছ ঘটনার জেরে সাজিদ ও তার সহযোগীরা দুলালকে মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল-এর মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

পুলিশ জানায়, বন্দর থানাধীন কেওঢালা এলাকার মো. ইব্রাহিমের বাড়ির ছাদে মোহাম্মদ ওসমান (২০) ও তার এক বন্ধু অবস্থান করছিলেন। এ সময় পাশের বাড়ির বন্ধু সাজিদ (২০) দুষ্টামির ছলে ওসমানের ঘাড়ে থাপ্পড় দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওসমানও সাজিদকে থাপ্পড় দেন। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে বাড়িওয়ালা মো. ইব্রাহিম উভয়ের মধ্যে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

পরে বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে প্রথম ঘটনার জের ধরে সাজিদ ও তার ৫–৬ জন আত্মীয়স্বজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইব্রাহিমের ভাড়া বাড়িতে এসে ওসমান, তার বাবা মো. দুলাল মিয়া (৫৬) ও তার মা পারুল বেগম (৪০)-কে এলোপাতাড়ি মারধর করে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর ওসমানের বাবা মো. দুলাল মিয়া স্থানীয় লোকজনসহ নিকটস্থ কামতাল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ জানাতে যান। অভিযোগ দিয়ে ফেরার পথে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তিনি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা গেছেন।

সংবাদ পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরবর্তী ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খানপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

তুচ্ছ ঘটনার জেরে বন্দরে মাছ ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় ০২:১৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুলাল নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার কেওঢালা ওভারবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুলাল ওই এলাকার জসিম মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন এবং পেশায় মাছ ব্যবসায়ী।

বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক তৌহিদুল ইসলাম জানান, তুচ্ছ ঘটনার জেরে সাজিদ ও তার সহযোগীরা দুলালকে মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল-এর মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

পুলিশ জানায়, বন্দর থানাধীন কেওঢালা এলাকার মো. ইব্রাহিমের বাড়ির ছাদে মোহাম্মদ ওসমান (২০) ও তার এক বন্ধু অবস্থান করছিলেন। এ সময় পাশের বাড়ির বন্ধু সাজিদ (২০) দুষ্টামির ছলে ওসমানের ঘাড়ে থাপ্পড় দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওসমানও সাজিদকে থাপ্পড় দেন। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে বাড়িওয়ালা মো. ইব্রাহিম উভয়ের মধ্যে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

পরে বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে প্রথম ঘটনার জের ধরে সাজিদ ও তার ৫–৬ জন আত্মীয়স্বজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইব্রাহিমের ভাড়া বাড়িতে এসে ওসমান, তার বাবা মো. দুলাল মিয়া (৫৬) ও তার মা পারুল বেগম (৪০)-কে এলোপাতাড়ি মারধর করে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর ওসমানের বাবা মো. দুলাল মিয়া স্থানীয় লোকজনসহ নিকটস্থ কামতাল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ জানাতে যান। অভিযোগ দিয়ে ফেরার পথে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তিনি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা গেছেন।

সংবাদ পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরবর্তী ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খানপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।