ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা Logo সোনারগাঁয়ের জামপুরে তালতলা ফাঁড়ির নাম ভাঙিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ Logo কুতুবপুর লাকী বাজার থেকে যুবলীগ নেতা সোনালী গ্রেফতার; তদবিরে সহদর দুই ভাই যুবদল নেতার দৌড়ঝাঁপ Logo কাঁচপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ! পর্দার আড়ালে সাপ্তাহিক চাঁদার কারবার? Logo বন্দরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাইয়ের উদ্বোধন Logo নারায়ণগঞ্জে হেভেন কম্পিউটারের কর্ণধার মোঃ মাকসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে ক্রেতা হয়রানির অভিযোগ, সদর থানায় জিডি Logo রাসেল হত্যা মামলা: শামীম ওসমানদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য শুরু Logo শ্রমিকদের আন্দোলন নেই, সতর্ক অবস্থানে পুলিশ-বিজিবি Logo নারায়ণগঞ্জ: এইচএসসিতে কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫ Logo শহরে বেপরোয়া উৎসব বাসের চাপায় রিকশাচালক নিহত, আহত ৩

শেখার কোনো শেষ নেই : রানা

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ সমতায় শেষ করতে দলের হয়ে বড় ভূমিকা রাখেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। সিরিজ শেষে প্রশংসায় ভাসলেও, নিজের পারফরমেন্সের দিকে আরও মনোযোগ দিতে চান তিনি।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে আছেন রানা। বল হাতে গতির ঝড় তুলে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি। শুধুমাত্র গতি দিয়েই নয়, লাইন-লেন্থ বজায় রেখে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সুনামও কুড়িয়েছেন রানা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে প্রথম টেস্টে খেলার সুযোগ না পেলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নেমেই চমক দেখিয়েছেন রানা। প্রথম ইনিংসে ৬১ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। ২০০৯ সালের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট জয়ে বড় অবদান রেখেছে রানার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং।

১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও রানাকে ঘিরে চলছে আলোচনা। তাকে ভবিষ্যতের তারকা হিসাবে মনে করেছেন ক্রিকেটপ্রেমিরা। রানার প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সও। তবে প্রশংসায় নিজেকের না ভাসিয়ে দিয়ে শেখার দিকে আরও মনোনিবেশ করতে চান রানা।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পোস্ট করা একটি ভিডিও বার্তায় আজ রানা বলেন, ‘বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যা চলছে, সেগুলোতে আমি মনোযোগ দেই না। আমি একটি বিষয়ে ফোকাস করছি, মাঠে কিভাবে পারফর্ম করতে হয় এবং কিভাবে দলের জন্য সেরাটা দিতে হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোচদের তত্ত্বাবধানে আছি যারা আমাকে প্রতিদিন নতুন কিছু শিখাচ্ছেন। আমি বিভিন্ন দেশের কন্ডিশনে খেলে প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছি।’

টেস্ট ম্যাচের বিভিন্ন কন্ডিশনে গতি বাড়ানো ও কমানোর পারদর্শীতা দেখিয়েছেন রানা। তিনি বলেন, ‘শেখার কোন শেষ নেই। এখানে আসার পরও আমি শিখেছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পিচে কিভাবে বল করতে হয় এবং এখানে কোন লাইন-লেন্থে বল করা উচিত। আমি এখনও শেখার প্রক্রিয়ায় আছি।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার এবং বাংলাদেশের সাবেক বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের সাথে দেখা করেছেন রানা। ওয়ালশের সাথে তার কথোপকথনের গল্প শেয়ার করেছেন তিনি।

রানা বলেন, ‘আমি তার সাথে দেখা করেছি। ওয়ালশ বলেছেন, তুমি যেখানেই থাকেন না কেন, শিখতে থাকো এবং নিজের ফিটনেস ধরে রাখো। জীবনে যেখানেই যাবে, শিখবে। শেখার কোন শেষ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘জ্যামাইকার শেষ ম্যাচের পর কোর্টনি ওয়ালশ আবার নিজের এবং ফিটনেসের যত্ন নিতে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন নতুন নতুন জিনিস শিখো থাকুন, এটা তোমার জন্য উপকারী হবে।’

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

মুছাপুরে প্রবাসী সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানি: বাড়ি দখলের পাঁয়তারায় ‘লেডি মাস্তান’ হনুফা

শেখার কোনো শেষ নেই : রানা

আপডেট সময় ১০:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ সমতায় শেষ করতে দলের হয়ে বড় ভূমিকা রাখেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। সিরিজ শেষে প্রশংসায় ভাসলেও, নিজের পারফরমেন্সের দিকে আরও মনোযোগ দিতে চান তিনি।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে আছেন রানা। বল হাতে গতির ঝড় তুলে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি। শুধুমাত্র গতি দিয়েই নয়, লাইন-লেন্থ বজায় রেখে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সুনামও কুড়িয়েছেন রানা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে প্রথম টেস্টে খেলার সুযোগ না পেলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নেমেই চমক দেখিয়েছেন রানা। প্রথম ইনিংসে ৬১ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। ২০০৯ সালের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট জয়ে বড় অবদান রেখেছে রানার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং।

১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও রানাকে ঘিরে চলছে আলোচনা। তাকে ভবিষ্যতের তারকা হিসাবে মনে করেছেন ক্রিকেটপ্রেমিরা। রানার প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সও। তবে প্রশংসায় নিজেকের না ভাসিয়ে দিয়ে শেখার দিকে আরও মনোনিবেশ করতে চান রানা।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পোস্ট করা একটি ভিডিও বার্তায় আজ রানা বলেন, ‘বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যা চলছে, সেগুলোতে আমি মনোযোগ দেই না। আমি একটি বিষয়ে ফোকাস করছি, মাঠে কিভাবে পারফর্ম করতে হয় এবং কিভাবে দলের জন্য সেরাটা দিতে হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোচদের তত্ত্বাবধানে আছি যারা আমাকে প্রতিদিন নতুন কিছু শিখাচ্ছেন। আমি বিভিন্ন দেশের কন্ডিশনে খেলে প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছি।’

টেস্ট ম্যাচের বিভিন্ন কন্ডিশনে গতি বাড়ানো ও কমানোর পারদর্শীতা দেখিয়েছেন রানা। তিনি বলেন, ‘শেখার কোন শেষ নেই। এখানে আসার পরও আমি শিখেছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পিচে কিভাবে বল করতে হয় এবং এখানে কোন লাইন-লেন্থে বল করা উচিত। আমি এখনও শেখার প্রক্রিয়ায় আছি।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার এবং বাংলাদেশের সাবেক বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের সাথে দেখা করেছেন রানা। ওয়ালশের সাথে তার কথোপকথনের গল্প শেয়ার করেছেন তিনি।

রানা বলেন, ‘আমি তার সাথে দেখা করেছি। ওয়ালশ বলেছেন, তুমি যেখানেই থাকেন না কেন, শিখতে থাকো এবং নিজের ফিটনেস ধরে রাখো। জীবনে যেখানেই যাবে, শিখবে। শেখার কোন শেষ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘জ্যামাইকার শেষ ম্যাচের পর কোর্টনি ওয়ালশ আবার নিজের এবং ফিটনেসের যত্ন নিতে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন নতুন নতুন জিনিস শিখো থাকুন, এটা তোমার জন্য উপকারী হবে।’